আজ আকাশ ঘনিয়ে মেঘ করেছে,প্রকৃতি তার সমগ্র মেঘ বর্ষা নিয়ে ভূপৃষ্ঠে আঁচড়ে পরবে এমনটাই মনে করছেন হাবিবুর রহমান, জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি তারিখ কিন্তু হাবিবুর রহমানের খুব অবাক লাগছে কারণ তিনি এই বাংলা মাসের আজ কত তারিখ মনে করতে পারছে না,তার কাছে সব সময়ই বাংলা মাসের হিসেব থাকে,কারণ তিনি ৫২এর ভাষা আন্দোলনের সাথে খুবই উৎপথ ভাবে জড়িত ছিলেন...নিজের দেশ,ভাষা,সংস্কৃতি কে দীর্ঘ দিন ধরে লালন ও ধারণ করার চেষ্টা করে আসছেন...
খুব উচ্চস্বরে বাড়ি কাপিয়ে তিনি তার ছোট্ট মেয়ে নিলুকে ডাকতে লাগলেন
এই নিলু... নিলু... এই নিলু...
নিলু দৌরে আসলো...
কি হয়েছে বাবা ?
আজকে বাংলা মাসের কতো তারিখরে ?
একটু গম্ভীর সুরে বলল ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০...আজ কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন...
হাবিবুর রহমান তার মেয়ের দিক চেয়ে একটা তৃপ্তির হাঁসি হাসলেন,তার তিনটি মেয়ের মধ্যে এই ছোট্ট মেয়েটাকে খুব অসম্ভব রকমের পছন্দ করেন,বাকি বড় ও মেঝো মেয়েকে খুব ভালো বিয়ে দিয়েছেন,সুধু ভালো না অসম্ভব রকমের ভালো,তার দুই জামাই পেয়েছেন বিখ্যাত হাবলা ঘাবলা স্বভাবের,মেয়ের জামাই প্রতিবার তার সাথে দেখা করতে আসলে পা ছুঁয়ে সালাম করে এবং খুব বিনয়ের সঙ্গে কথা বলে,তার ছোট্ট মেয়েটার অনার্স ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা চলছে,তিনি বাসায় থাকা সত্ত্বেও একটা ছেলে প্রায়ই নিলুর সাথে দেখা করতে আসে,তিনি চিন্তা করেছে একদিন সরাসরি নিলুকে জিজ্ঞেস করবে কিন্তু তার সাহস হচ্ছে না,কোন এক বিচিত্র কারণে তিনি তার ছোট্ট মেয়েকে একটু ভয় পান,আজকাল এই নিলুর সাথে দেখা করতে আসা ছেলের বেপারটা নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কারণ ছেলেটাকে তিনি প্রায়ই চায়ের স্টলে সিগারেট খেতে দেখেন,তিনি সিগারেট খাওয়াকে অনেক ভয়ঙ্কর কিছু মনে করেন কারণ নেশার প্রথম পর্যায়ে শুরু হয় সিগারেট দিয়ে আর শেষটা খুব ভয়ঙ্কর কিছু দিয়ে হয় ,তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছেলেটার বেপারে নিলুর সাথে আজই কথা বলবেন...
খুব উচ্চস্বরে বাড়ি কাপিয়ে তিনি তার ছোট্ট মেয়ে নিলুকে ডাকতে লাগলেন
এই নিলু... নিলু... এই নিলু...
নিলু দৌরে আসলো...
কি হয়েছে বাবা ?
আজকে বাংলা মাসের কতো তারিখরে ?
একটু গম্ভীর সুরে বলল ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০...আজ কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন...
হাবিবুর রহমান তার মেয়ের দিক চেয়ে একটা তৃপ্তির হাঁসি হাসলেন,তার তিনটি মেয়ের মধ্যে এই ছোট্ট মেয়েটাকে খুব অসম্ভব রকমের পছন্দ করেন,বাকি বড় ও মেঝো মেয়েকে খুব ভালো বিয়ে দিয়েছেন,সুধু ভালো না অসম্ভব রকমের ভালো,তার দুই জামাই পেয়েছেন বিখ্যাত হাবলা ঘাবলা স্বভাবের,মেয়ের জামাই প্রতিবার তার সাথে দেখা করতে আসলে পা ছুঁয়ে সালাম করে এবং খুব বিনয়ের সঙ্গে কথা বলে,তার ছোট্ট মেয়েটার অনার্স ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা চলছে,তিনি বাসায় থাকা সত্ত্বেও একটা ছেলে প্রায়ই নিলুর সাথে দেখা করতে আসে,তিনি চিন্তা করেছে একদিন সরাসরি নিলুকে জিজ্ঞেস করবে কিন্তু তার সাহস হচ্ছে না,কোন এক বিচিত্র কারণে তিনি তার ছোট্ট মেয়েকে একটু ভয় পান,আজকাল এই নিলুর সাথে দেখা করতে আসা ছেলের বেপারটা নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কারণ ছেলেটাকে তিনি প্রায়ই চায়ের স্টলে সিগারেট খেতে দেখেন,তিনি সিগারেট খাওয়াকে অনেক ভয়ঙ্কর কিছু মনে করেন কারণ নেশার প্রথম পর্যায়ে শুরু হয় সিগারেট দিয়ে আর শেষটা খুব ভয়ঙ্কর কিছু দিয়ে হয় ,তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছেলেটার বেপারে নিলুর সাথে আজই কথা বলবেন...
তিনি আজ গভীর ভাবনাই মগ্ন হলেন কারণ নিলু থেকে জানতে পেরেছে নিলু নাকি ছেলেটাকে খুব পছন্দ করে,বিয়ে করলে এই ছেলেকেই করবে,এই কথা শুনার পর তার খুব কষ্ট হচ্ছে এই ভেবে 'কতো ঝর জাপ্যটার মাঝে দিয়ে তার তিন মেয়েকে বড় করেছেন,ছোটবেলাই তাদের মা মারা যাওয়ার পর থেকে কখনো মায়ের অভাব বুঝতে দেননি,তিনি তার সমগ্র আদর্শ আর ভালোবাসা দিয়ে বড় করেছেন তিন কন্যাকে,যার মধ্যে সবচে বেশী পছন্দ করতেন তার ছোট্ট মেয়েকে,আর আজ তার মেয়ের কাছ থেকে এই সব কথা শুনার পর তার মেয়ের জন্য সংরক্ষিত ভালোবাসার দেয়াল ফেটে স্বপ্ন চুয়ে চুয়ে পড়ছে নর্দমাই,তিনি দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ভাবতে লাগলেন সব ক্ষমতা নিয়ে একজন দূরে বসে আছেন, ভুল বললাম-দূরে না,কাছেই বসে আছেন, খুব বেশি কাছে বলেই তাকে দেখা যায় না, তিনি এক বাবা সাথে মেয়ের গভীর খেলাই নিমজ্জিত, এই খেলা তিনি মনে হয় সব বাবা মেয়ের সাথেই খেলে থাকেন একটা সময় পর্যন্ত...।

0 মন্তব্যসমূহ