আলোর বক্রতা কি এবং কিভাবে গ্রেভিটেশনাল ফোর্সের জন্য টাইম ডাইলেশন হয়?

-সমস্ত পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে বা যে কোন প্রসঙ্গে আমাদের দৃষ্টিকোণের ভিত্তিতে আলোর বেগ ধ্রুব। আলোর বক্রতা কি এবং কিভাবে গ্রেভিটেশনাল ফোর্সের জন্য টাইম ডাইলেশন হয়? এর উত্তর বুঝার পর থেকে আমার চিন্তা- ভাবনায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

-এঁ?

-হ্যাঁ...

-কেমন?

-আমি এগুলো নিয়ে দীর্ঘদিন পড়াশোনা করেছি। জ্যোতির্বিদ্যা, মানে এস্ট্রোনমি হল প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি শাখা। এই শাখায় গ্রহ, প্রাকৃতিক উপগ্রহ, তারা, ছায়াপথ ও ধূমকেতু ইত্যাদি মহাজাগতিক বস্তু এবং অতি-নবতারা বিস্ফোরণ, গামা রশ্মি বিচ্ছুরণ ও মহাজাগতিক অণুতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণ প্রভৃতি ঘটনাবলি এবং সেগুলির বিবর্তনের ধারাটিকে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান , রসায়ন ও ভূগোল এর মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ ও ব্যাখ্যা করা হয়।

সাধারণভাবে বললে, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে ঘটা সকল ঘটনাই জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়। ভৌত বিশ্বতত্ত্ব নামে আরেকটি পৃথক শাখাও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সঙ্গেই সম্পর্কিত। এই শাখায় সামগ্রিকভাবে মহাবিশ্ব নিয়ে বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা করা হয়।

-তারপর...

-আর্টিকেল পড়ে বুঝতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোথাও একটা বোঝার ঘাটতি ছিলো।

এস্ট্রোনমি

 -আমি সমীকরণ কিংবা স্থান-কাল কি এবং একেক জায়গায় কিভাবে গ্রহে ভিন্ন ভিন্ন সময় হয়। এসব নিয়ে আজ মনে হলো সমাধান পেয়েছি। হিসাব মিলে গেছে।

-কি মিললো?

-আলোর বক্রতা এবং গ্রেভিটেশনাল ফোর্স, পদার্থবিজ্ঞানে স্থান-কাল বলতে যেকোনো গাণিতিক মডেলকে বোঝায় যা সময় এবং স্থানকে মিলিয়ে একটি একক কাঠামো গঠন করে। স্থান-কাল মূলত স্থানের তিনটি মাত্রার সাথে সময়কে যোগ করে একটি চতুর্মাত্রিক ধারণার জন্ম দেয়।

ইউক্লিডীয় স্থান ধারণা অনুযায়ী স্থানকে ত্রিমাত্রিক এবং সময়কে একটি আলাদা মাত্রা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু এই দুয়ের মিলন ঘটানোর মাধ্যমে পদার্থবিজ্ঞানীরা অনেকগুলো বৈজ্ঞানিক জটিলতা ও সমস্যার সমাধান করতে পেরেছেন। এই চতুর্মাত্রিক নীতি দিয়ে বৃহৎ স্কেলে মহাবিশ্বের গঠন থেকে শুরু করে অনেক ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তু পর্যন্ত প্রায় সবারই পরিচালনার নীতি ব্যাখ্যা করা যায়।

-আচ্ছা...

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ