এই যে মিস্টার... এই যে...
আমি ফিরে তাকালাম ।
-আমায় ডাকছেন ?
-হম...
আমি অবাক হয়ে দেখছি একটা মেয়ে.. কতো সুন্দর করে সেজেছে, নীল রঙের শাড়ি, হাতে কাচের চুড়ি আর মাথায় ফুলের মুকুটে তাকে নীল পরীর মতো লাগছে ।
মেয়েটার চোখ দেখে বলতে হয়...
And there will be companions
with beautiful,
big And lustrous eyes..
-এখানে কি করেন ?
-ফাল্গুনে ভালোবাসার আগুন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে...
-মানে !!? কিসব আজেবাজে বকছেন...
-মানে কিছুই না, আজ ধানমন্ডি লেকের পারে প্রেমিক প্রেমিকার ঢল নেমেছে, হেটে হেটে তাই দেখছি...
-আমাকে চিনতে পারছেন? আমি অতন্দ্রিলা... আমি আপনার সামনের বিল্ডিঙে থাকি ।
-ও আচ্ছা তাই,কেমন আছে ?
-আমাকে চিন্তে পারেন নাই তার পরেও চীনার বান করছেন কেন ।
-আমি আসলেই দুঃখিত, একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করতে পারি ?
-জি... অবশ্যই... কেন নয়...
-থাক আজ নয়... অন্য আরেক দিন...
-তাহলে আপনার সাথে আমার আবার দেখা হচ্ছে ।
-অতন্দ্রিলা সত্যিই আমি জানি না, হলেও হয়ে যেতে পারে ।
-আচ্ছা আপনি সারাদিন বেল্কুনিতে বসে বই পড়েন, সব জাগতিক সম্পর্ক কি আপনার বইয়েরই ভীতরে ! আশপাশের জগতটাও তো একটু ঘোরে-ফিরে দেখতে হয়...
-আমি একটি রহস্যময় হাঁসি দিয়ে বললাম 'আমি এমনই, হাতে ভালো কোন বই থাকলে জগতের কোন কিছুই খেয়াল থাকে না, সত্যিই আমি দুঃখিত ।
-অতন্দ্রিলা হাঁসতে হাঁসতে বলছে 'বেস কয়েক দিন ধরে আপনাকে লক্ষ্য করছি । আপনি বেশ অদ্ভুত প্রকৃতির...
আমি অবাক হওয়ার মতো করে বললাম -'তাই' !! সে আমার সম্পর্কে অবলীলাই একটার পর একটা বলেই যাচ্ছে, আর এদিকে -আমি তার চোখে মুখে ভালোবাসার কোমল আভাষ দেখতে পাচ্ছি...
-চলেন হাঁটতে হাঁটতে কথা বলা যাক...
অতন্দ্রিলা বলল- এখন আমি একা, আমার শূন্যের বুকে এখন শূন্যরা স্বপ্ন আঁকে...
-সে কথা বলেই যাচ্ছে এক মনে, আর আমি অবলীলাই তার কথা শুনছি... কতো সুন্দর করে হাত নাড়িয়ে হেলে-দুলে কথা বলছে, কতো সুন্দর করে একটা মানুষ আরেকটা মানুষের সাথে অবলীলাই মিশে যায় । সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, শহরে সোডিয়ামের আলো জ্বলে উঠেছে, সব পাখিরাই ঘরে ফিরে যাচ্ছে, আমাদেরও যেতে হবে, একদিন সব ভালো লাগার সময় ফুঁড়িয়ে আসবে, কেন যেন আজ সব একাকীত্ব কে পিছনে ফেলে মেয়েটাকে খুব আপন করে নিতে ইচ্ছে করছে...
আমি ফিরে তাকালাম ।
-আমায় ডাকছেন ?
-হম...
আমি অবাক হয়ে দেখছি একটা মেয়ে.. কতো সুন্দর করে সেজেছে, নীল রঙের শাড়ি, হাতে কাচের চুড়ি আর মাথায় ফুলের মুকুটে তাকে নীল পরীর মতো লাগছে ।
মেয়েটার চোখ দেখে বলতে হয়...
And there will be companions
with beautiful,
big And lustrous eyes..
-এখানে কি করেন ?
-ফাল্গুনে ভালোবাসার আগুন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে...
-মানে !!? কিসব আজেবাজে বকছেন...
-মানে কিছুই না, আজ ধানমন্ডি লেকের পারে প্রেমিক প্রেমিকার ঢল নেমেছে, হেটে হেটে তাই দেখছি...
-আমাকে চিনতে পারছেন? আমি অতন্দ্রিলা... আমি আপনার সামনের বিল্ডিঙে থাকি ।
-ও আচ্ছা তাই,কেমন আছে ?
-আমাকে চিন্তে পারেন নাই তার পরেও চীনার বান করছেন কেন ।
-আমি আসলেই দুঃখিত, একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করতে পারি ?
-জি... অবশ্যই... কেন নয়...
-থাক আজ নয়... অন্য আরেক দিন...
-তাহলে আপনার সাথে আমার আবার দেখা হচ্ছে ।
-অতন্দ্রিলা সত্যিই আমি জানি না, হলেও হয়ে যেতে পারে ।
-আচ্ছা আপনি সারাদিন বেল্কুনিতে বসে বই পড়েন, সব জাগতিক সম্পর্ক কি আপনার বইয়েরই ভীতরে ! আশপাশের জগতটাও তো একটু ঘোরে-ফিরে দেখতে হয়...
-আমি একটি রহস্যময় হাঁসি দিয়ে বললাম 'আমি এমনই, হাতে ভালো কোন বই থাকলে জগতের কোন কিছুই খেয়াল থাকে না, সত্যিই আমি দুঃখিত ।
-অতন্দ্রিলা হাঁসতে হাঁসতে বলছে 'বেস কয়েক দিন ধরে আপনাকে লক্ষ্য করছি । আপনি বেশ অদ্ভুত প্রকৃতির...
আমি অবাক হওয়ার মতো করে বললাম -'তাই' !! সে আমার সম্পর্কে অবলীলাই একটার পর একটা বলেই যাচ্ছে, আর এদিকে -আমি তার চোখে মুখে ভালোবাসার কোমল আভাষ দেখতে পাচ্ছি...
-চলেন হাঁটতে হাঁটতে কথা বলা যাক...
অতন্দ্রিলা বলল- এখন আমি একা, আমার শূন্যের বুকে এখন শূন্যরা স্বপ্ন আঁকে...
-সে কথা বলেই যাচ্ছে এক মনে, আর আমি অবলীলাই তার কথা শুনছি... কতো সুন্দর করে হাত নাড়িয়ে হেলে-দুলে কথা বলছে, কতো সুন্দর করে একটা মানুষ আরেকটা মানুষের সাথে অবলীলাই মিশে যায় । সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, শহরে সোডিয়ামের আলো জ্বলে উঠেছে, সব পাখিরাই ঘরে ফিরে যাচ্ছে, আমাদেরও যেতে হবে, একদিন সব ভালো লাগার সময় ফুঁড়িয়ে আসবে, কেন যেন আজ সব একাকীত্ব কে পিছনে ফেলে মেয়েটাকে খুব আপন করে নিতে ইচ্ছে করছে...

0 মন্তব্যসমূহ